যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

মিমি অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ-শুভশ্রীর বিয়ে ঠিক হতেই !

মিমি অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ-শুভশ্রীর বিয়ে ঠিক হতেই !

বিনোদন ডেস্ক :
টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী মানসিক অবসাদের মধ্যে দিয়ে গেছেন। রাজের সঙ্গে তার ব্রেকআপের পরেই সমস্যা শুরু হয়। পরে রাজ বিয়ে করেন শুভশ্রীকে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কষ্ট নিতে পারেননি মিমি।
সেই সময় মিমি নিজেকে অভিনয় জগৎ থেকেও গুটিয়ে নিয়েছিলেন। রীতিমতো ডুবতে বসেছিল তার ফিল্মি ক্যারিয়ার। এমনটা বুঝতে পেরে অবসাদ কাটাতে মনোবিদের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিমি।

তার কথায়, মানসিক অবসাদ কোনো ট্যাবু নয়। এটাকে সাধারণ অসুস্থতার মতোই দেখা উচিত।

এক পুরনো সাক্ষাৎকারে মিমি তার অবসাদের সময়কার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। অভিনেত্রী বলেন, প্রথমবার আমি যখন মনোবিদের কাছে গিয়েছিলাম তখন খুব চুপচাপ ছিলাম। এটা নিয়ে কখনো আমি আমার মা-বাবার কাছেও কোনো কথা বলিনি। আমি যখন মাকে এটা বলি তখন মাও বুঝতে পারিনি যে আমি ঠিক কী অনুভব করছি। আমাকে মনোবিদ জানিয়েছিলেন যে আমি যাতে আমার ভাবনাগুলো অন্যদিকে নিয়ে যাই ও যা আমাকে ভালো রাখবে সেই কাজই যাতে করি।

মিমি জানান, আমাদের সমাজ এখনো মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হয়নি। অবসাদের সঙ্গে লড়াই করার সময় চোখের পানি সহজে আসত না। তিনি নিজেকে আরো দমবন্ধ পরিস্থিতিতে অনুভব করছেন।

তিনি বলেন, অবসাদে থাকার সময় আমি ঠিকমতো খাবার খেতাম না, ঠিকমতো ঘুমোতে পারতাম না। চিরকাল নিজেকে এমন চিন্তায় ডুবিয়ে রেখেছিলাম যা কখনই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। এরকমও মনে হতো যে যদি বিছানা ছেড়ে আমি উঠি হয়ত সমস্যা আরো বাড়তে পারে। পুরো দিন আমি একাই কাটাতাম। আমার সব সময় এটা মনে হতো, ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক ও ডুবতে থাকা ক্যারিয়ারের জন্য মনোবিদের কাছে গেছি এটা শুনলে মানুষ কীভাবে আমাকে গ্রহণ করবে।

তবে মিমি এও জানান, তিনি নিজের ইচ্ছার জোরে ও মনোবিদদের সহায়তায় এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছেন। মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগলে তার যত্নের প্রক্রিয়া হয় আলাদা বলেই মনে করেন মিমি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com